বিজেপির মে দিবস দখলের রাজনীতি: আদর্শের প্রত্যাখ্যান থেকে নির্বাচনী কৌশল

রাজনীতি

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে তাদের আকাঙ্খিত পরিবর্তন আনতে পারবে কি না সেই নিয়ে তুমুল চর্চার মাঝে এসে হাজির হলো মে দিবস। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে বামপন্থীরা লাল ঝাণ্ডা উত্তোলন করেন, তৃণমূল কংগ্রেসকংগ্রেসের মতন দক্ষিণপন্থী শক্তিও শ্রমিকদের শুভেচ্ছা জানায় ও মালিক-শ্রমিক সম্প্রীতির কথা বলে। কিন্তু যে বিজেপি, তার পৈতৃক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস কে “বিদেশী” বলে চিহ্নিত করেছিল তারাই কিন্তু এখন শ্রমিকদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। 

এই অবস্থান পরিবর্তন কোনো আকস্মিক উদারতা নয়; এটি এক গভীর রাজনৈতিক প্রয়োজনের বহিঃপ্রকাশ। বিজেপির আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসকে স্বীকৃতি দেওয়ার এই নতুন ভাষ্য আসলে শ্রমিক রাজনীতিকে ধারণ করার নয়, বরং তাকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টা।

অনেকে বামপন্থীদের ভোট ধীরে ধীরে রামে, অর্থাৎ বিজেপিতে, চলে গেছে বলে অভিযোগ করলেও বিজেপি যে বামে আস্থা রাখছে সেই রকম অভিযোগ কেউ এই যাবৎকালে করেনি। তবে পশ্চিমবঙ্গে সদ্য সমাপ্ত হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের দোদুল্যমান মধ্যবিত্ত সমর্থকদের দলে দলে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্যে বিজেপির নেতাদের থেকে শুরু করে টিভির অনুষ্ঠান সঞ্চালক পর্যন্ত সরাসরি আপিল করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধিতাকে অক্ষে পরিণত করে এই আবেদন করা হয়। 

কিন্তু তার ফলে নির্বাচনের পরেই কেন হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি মে দিবসে শ্রমিক দিবসের শুভেছা জানাবে? কেন তারা বিশ্বকর্মা পূজাকে শ্রমিক দিবস বলার লাইন ত্যাগ করে হঠাৎ করে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে গেরুয়া অভিনন্দন জানাবে?

এই লাইনটি শুধুই পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি গ্রহণ করেনি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রেও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে শ্রমিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে, যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর সামাজিক মাধ্যমে মহারাষ্ট্র দিবস, গুজরাট দিবস বা বুদ্ধ পূর্ণিমা নিয়ে পোস্ট করলেও কোথাও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস নিয়ে কিছু বলেননি। 

ভারতের বৃহত্তম ও ধনীতম উগ্র দক্ষিণপন্থী দলটির আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করার কারণ লুকিয়ে আছে বর্তমানের কিছু ঘটনা প্রবাহের মধ্যে।

বিজেপি কেন মে দিবস দখল চায়?

ভারতের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এই পরিবর্তনের পটভূমি স্পষ্ট করে। গত কয়েক বছরে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা শ্রমজীবী মানুষের জীবনে স্থায়ী চাপ সৃষ্টি করেছে। ভোক্তা মূল্য সূচকের ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বগতি শ্রমিকদের প্রকৃত আয়ের উপর সরাসরি আঘাত হেনেছে। নামমাত্র মজুরি অপরিবর্তিত থাকলেও বাস্তবে ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে—যা শ্রমিক অসন্তোষের এক মৌলিক উৎস হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার নিয়ে প্রশ্নগুলি আর বিচ্ছিন্ন নয়; বরং তা বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।

এই সংকটের মধ্যে চারটি শ্রম কোডের প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। মোদী সরকারের যুক্তি ছিল শ্রমবাজারকে সহজ ও নমনীয় করা, কিন্তু বাস্তবে এই পরিবর্তন শ্রমিকদের অনিশ্চয়তাকে বাড়িয়েছে। আয় স্থিতিশীল নয়, কর্মসংস্থান দীর্ঘমেয়াদি নয়, এবং সংগঠিত প্রতিরোধের পথ ক্রমশ সংকুচিত। বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণে এই আশঙ্কা উঠে এসেছে যে নতুন শ্রম কাঠামো শ্রমিকের সুরক্ষার পরিবর্তে নিয়োগকর্তার সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফলে শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে, যা অর্থনৈতিক অসন্তোষকে রাজনৈতিক মাত্রা দিয়েছে।

সাম্প্রতিক কালে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পরে যদি বিজেপির কিছু পাখির চোখ হয়ে থাকে তাহলে সেটা হলো উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৭। মোদীর অবসরের আগে তাঁর দুটি বড় মিশনের একটা যদি হয় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করা তাহলে অন্যটা হলো যোগী আদিত্যনাথকে ২০২৭ সালে উত্তর প্রদেশে জিতিয়ে আনা। আর যোগী-বিরোধী যে ঢেউ উত্তর প্রদেশে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেখা গেছিল, সেটাকে স্তিমিত করা। এর জন্যে বিজেপি ও আরএসএস কর্মীরা সেই ২০২৪ সাল থেকেই কাজে লেগে গেছে। বিরোধী দলগুলো নির্বাচনের তিন-চার মাস আগে যেহেতু সক্রিয় হয় তাই তাদের, বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টির, ঘুম ভাঙার আগেই উত্তর প্রদেশের জমি পুনুরুদ্ধারে লেগেছে বিজেপি। কিন্তু এখানে সমস্যা সৃষ্টি করেছে বামপন্থীরা। 

বামেদের উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে দূরবীন দিয়ে খুঁজলেও দেখা যায় না। এক কালের শক্ত ঘাঁটি ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির জন্মস্থান বলে পরিচিত কানপুরেও না। সেই বামেদের ট্রেড ইউনিয়নগুলো পারস্য উপসাগরে যুদ্ধের আবহে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে নাস্তানাবুদ হওয়া কলকারখানার শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী বৃদ্ধি ও চারটি শ্রম কোডের মাধ্যমে তাদের থেকে সংগঠিত হওয়ার ও সুরক্ষিত কর্মসংস্থান পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয় রাজধানী নয়া দিল্লী লাগোয়া নয়ডা অঞ্চলে। এই নয়ডা উত্তর প্রদেশের মোট উৎপাদিত পণ্যের একটি বড় সর্বাহকারী ও আর্থিক ভাবে পঙ্গু রাজ্যটির কর সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। রাজ্যে আসা শিল্প ও লগ্নির সিংহভাগ যায় নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডা অঞ্চলে, এদের সাথে নয়া দিল্লীর স্বল্প দূরত্বের কারণে। 

কিন্তু এপ্রিল মাসে ভারতের কর্পোরেটদের এই মৃগয়া ক্ষেত্রে বিরাজমান শ্মশানের শান্তি বিঘ্নিত হয়। একটি কারখানার শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার আন্দোলন ও বৃহৎ ধিক্কার সমাবেশগুলো ১০ই এপ্রিলের থেকে শুরু হয়ে সরকার-কর্পোরেট অক্ষ বনাম শ্রমিকদের মুখোমুখি সংঘর্ষে পরিণত হয় ১৩ই এপ্রিলে। নয়ডা ও পার্শ্ববর্তী বিজেপি-শাসিত হরিয়ানার ফরিদাবাদ সরকার-কর্পোরেট অক্ষ বনাম শ্রমিকদের সংঘর্ষের রণাঙ্গনে পরিণত হয়। প্রায় ১,০০০ শ্রমিকদের এর পরে পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হন বাম ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা। গ্রেফতার হন এমন অনেকে যাঁরা নৈপথ্যে থেকে শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। 

রূপেশ রায় একজন হিন্দিভাষী অটো চালক, যিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নয়ডায় থাকেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বাম শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত। নিত্যদিন দারিদ্র্য ও অনটনের সাথে লড়াই করেও কিন্তু রায় তাঁর আদর্শ বা শ্রমিকদের মধ্যে তাঁর কাজকর্ম ত্যাগ করেননি। নয়ডা পুলিশ রায় কে গ্রেফতার করেছে শ্রমিক অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে। কিন্তু এখানে ঘটনা হলো যে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের মুখে নয়ডার শ্রমিক আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে ওঠে ১৩ই এপ্রিল। কিন্তু রায়কে নয়ডা সেক্টর ৩৭ এ অবস্থিত বোটানিক্যাল গার্ডেন মেট্রো স্টেশন থেকে গৌতম বুদ্ধনগর পুলিশ গ্রেফতার করে ১১ই এপ্রিল। তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ১০ই এপ্রিলের একটি শান্তিপূর্ণ শ্রমিক আন্দোলনে সামিল হওয়ার জন্যে। কিন্তু পরে তাঁকে ১৩ই এপ্রিলের হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করে পুলিশ। তাঁদের হেফাজতে, গৌতম বুদ্ধনগরের পুলিশ রায়ের উপর শারীরিক নির্যাতন করেছে বলেও অভিযোগ। এর মধ্যে রায়ের ভাইকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রায়কে শিকল বেঁধে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায় পুলিশ তল্লাশি করার জন্যে এবং অভিযোগ এই তল্লাশির পরে রায়ের স্ত্রী ও সন্তানদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 

পরবর্তী কালে, নির্বাচনের কারণে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের হাতে থাকায় খুব সহজেই তিরুচিরাপল্লী স্টেশন থেকে আদিত্য আনন্দ নামক একজন যুবককে উত্তর প্রদেশ পুলিশ গ্রেফতার করে ১৮ই এপ্ৰিল। তাঁকে রীতিমতো নয়ডা শ্রমিক আন্দোলনের “মূল চক্রান্তকারী” বলে অভিযুক্ত করে পুলিশ। এর সাথে সাথে এই বৃহৎ শ্রমিক আন্দোলনের নৈপথ্যে পাকিস্তান আছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। বিজেপির সমর্থক হিসাবে পরিচিত অনেক যুব সামাজিক মাধ্যম প্রভাবকারীদের দেখা যায় শ্রমিক আন্দোলন কেন দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক সেই নিয়ে নানান ধরণের বক্তব্য রাখতে। 

তবে শ্রমিক আন্দোলনের উপর পুলিশ ও প্রশাসনের দমন পীড়ন যাতে কোনো ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের শ্রমজীবী মানুষদের, যাঁদের পাখির চোখ করে মোদী ও তাঁর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার করেছেন, প্রভাবিত করতে না পারে সেই বিষয়ে শুরু থেকেই অনেক কসরত করেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও তাঁর তৃণমূল কংগ্রেসকে দোষারোপ করলেও, পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা নিয়ে চোখের জল ফেললেও, বিজেপি কিন্তু একবারের জন্যে রাজ্যের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করে দেশের সবচেয়ে অধিক মজুরির রাজ্যগুলির সমান করার কথা বলেনি। “এক দেশ এক…” রেশন, নির্বাচন থেকে পেনশন নিয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিজেপি কিন্তু এক দেশ এক ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করার কোনো চেষ্টা করেনি। 

যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে শ্রমিক সরবাহ করে, তাই এই রাজ্যের শ্রমজীবী মানুষ যাতে বিজেপির উপর নয়ডার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বামপন্থীদের দিকে না ঝোঁকেন সেই দিকে নজর রেখে এখন শমীক ভট্টাচার্যের মতন “বুদ্ধিজীবী” নেতার ভরসায় আরএসএস এখন আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসকে ও শ্রমিক আন্দোলনকে ধীরে ধীরে গেরুয়া শিবিরের দিকে টানার চেষ্টা করছে।

চারটি শ্রম কোড কে যখন দেশের আরএসএস এর ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ ছাড়া বাকি সব কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক বিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে, যখন এই কোডের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষান মোর্চা (এসকেএম) তখন বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছে পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিকের উপর নিজের প্রভাব ধরে রাখতে এবং যে কোনো ভাবেই উত্তর প্রদেশে যোগী সরকার কে টিকিয়ে রাখতে। কারণ বিজেপি জানে এসকেএম ও ট্রেড ইউনিয়নগুলো বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুললে ২০২৭ সালে উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব এবং ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচন ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে তাদের ধাক্কা খাওয়ার সুযোগ আছে। 

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মতন রাজ্যে শ্রমিক শ্রেণীর উপর প্রভাব বিস্তার করাও খুব জরুরী। শুধু রাজ্যে ক্ষমতায় আসতেই নয় বরং আগামী দিনে পরিযায়ী বাঙালি হিন্দু শ্রমিকেরা যাতে উত্তর বা পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলোয় কোনো ধরণের শ্রমিক আন্দোলনে সামিল না হয় সেটা সুনিশ্চিত করতে চায় বিজেপি ও আরএসএস। 

অতএব, পয়লা মে উদযাপনের এই নতুন প্রবণতা শ্রমিকদের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ নয়; এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিরক্ষা। আদর্শগতভাবে যে দিবসকে অস্বীকার করা হয়েছিল, আজ তাকে গ্রহণ করা হচ্ছে কারণ তাকে উপেক্ষা করা আর সম্ভব নয়। মে দিবস এখানে স্বীকৃত নয়, বরং পুনর্নির্মিত—একটি নিয়ন্ত্রিত প্রতীকে পরিণত করার উদ্দেশ্যে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্নটি আর শুধুমাত্র একটি দিবসের নয়। প্রশ্নটি হলো, শ্রমিক আন্দোলনের ঐতিহাসিক অর্থ ও সংগ্রামের ধারাকে কি রাজনৈতিক কৌশলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হবে, নাকি তা নিজের স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করবে। মে দিবসের ভবিষ্যৎ সেই উত্তরের উপরই নির্ভর করছে।

এই প্রবন্ধটি কি আপনার ভাল লেগেছে?

তাহলে মাত্র ৫০০ ভারতীয় টাকার থেকে শুরু করে আপনার সাধ্য মতন এই ব্লগটি কে সহযোগিতা করুন

যেহেতু আমরা FCRA-তে পঞ্জীকৃত নই, অতএব ভারতের বাইরের থেকে সহযোগিতা আমাদের পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।


Leave a Reply

CAPTCHA